আমরা যখন রাতের নিস্তব্ধতায় আকাশের দিকে তাকাই, শিশিরভেজা ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটি কিংবা ভোরের পাখির কিচিরমিচির শুনি—তখন কি একবারও ভেবে দেখি এই বিশাল আয়োজন কার জন্য?
নিশিতে শিশির ঝরে, দূর আকাশে চাঁদ হাসে,
পাখিরা সুর তুলে গান গায় গাছের ডালে;
তবে কেন আমরা ভুলে যাই সেই মহান স্রষ্টাকে,
যিনি পরম মমতায় সৃষ্টি করেছেন আমাদেরকে।
কেন এই বিস্মৃতি
গাছপাল,নদীনালা,পাহাড় সাগর আর ঝর্ণা, আকাশের বিশালতা নিপুণ এই সৃষ্টির স্রষ্টা কে?
পৃথিবীর চাকচিক্য আর যান্ত্রিক জীবনের ইঁদুর দৌড়ে আমরা বড্ড বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। অথচ আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে তাঁর নিপুণ কারুকার্য। গাছের প্রতিটি পাতায়, বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আর রাতের ঐ রূপালি চাঁদের আলোয় তাঁরই মহিমা প্রকাশ পায়।
স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়ার অর্থ হলো নিজের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা। কারণ:
তিনি আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রেখেছেন।
তিনিই অন্ধকার রজনীর পর আলোকিত ভোরের ব্যবস্থা করেন।
আমাদের হৃদস্পন্দন তাঁরই ইচ্ছায় সচল।
আমাদের করণীয়:
আসুন, প্রকৃতির এই ছোট ছোট নিদর্শনের দিকে তাকাই এবং স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ হই। দিনে অন্তত কয়েকবার অন্তর থেকে বলি, "আলহামদুলিল্লাহ"। কারণ কৃতজ্ঞ হৃদয়েই স্রষ্টার বাস।

0 মন্তব্যসমূহ