সাল্লিয়ালা মুহাম্মদ
আজ থেকে পনেরশ বছর আগের কথা৷ তখনো এখনকার মতো নিশিতে শিশির ঝরতো সূর্য উদয় হতো,অস্ত যেতো৷ পাখিরা সুর তুলে গান ধরতো গাছের ডালে,পেখম মেলে উড়ে বেড়াতো নীলাকাশে৷ তখনো পৃথীবির বুকে ছিলো সুউচ্চ পাহাড়,পর্বত৷ প্রাণীদের প্রাণ উচ্ছাস, মানুষের বসবাস৷
পরিবর্তন হয়েছে শুধু একটা জিনিসের ৷তা হলো সভ্যতা৷ এখন মানুষ যতটা সভ্য বলে দেখা যায় তখন ছিলো সম্পূর্ণ বিপরীত৷ এই মানুষই ছিলো সে সময় বর্বর,অসভ্য, অমানুষ ৷ হিংস্রতা, অনাচার, অবিচারে ছেয়েছিলো এই সুন্দর পৃথিবী৷
অসহায় নারী,শিশুর আর্তনাদে ছিলো আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত৷ ছিলনা নারীজাতীর ন্যায্য অধিকার৷ কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়াই ছিলো অপরাধ৷ আর এটা ছিলো আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগ৷ ঘন অন্ধকার যুগ৷ তখন মানুষ যেন মানুষ ছিলনা৷ যেনো বুনো অসভ্যতার বেড়াজালে বন্দী ছিলো মানবতা ৷ পৃথিবী ছিলো হাহাকার,,,,একটুখানি শান্তির জন্য,অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকা ছিলো দাঈ৷ কোথায় পাবো শান্তি, কে আনবে মানবতার মুক্তি এই ছিলো আত্মচিৎকার৷ ঠিক এই মূহুর্তে আল্লাহ তায়ালা ধরার বুকে পাঠালেন মানবতার মুক্তিদাতা হিসেবে কুরাইশ বংশে আব্দুল্লাহর ঘরে, আমিনার কোলে মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে৷ সেই দিনটি ছিলো ৫৭০ খৃষ্ঠাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল, রোজ সোমবার৷ যা পৃথিবীর ইতিহাসে অবিস্মরণীয় একটি দিন৷ এদিন মক্কা নগরীতে পূর্ব দিগন্তে ভোরের আভা উঁকি দিচ্ছে ঠিক তখন বিবি আমিনা অনুভব করলেন-----বিশ্ব প্রকৃতিতে যেন আনন্দ আনন্দ দোলা লেগেছে ৷ মনে হলো এখন কোন শোক নেই, দুঃখ নেই আছে শুধু আনন্দ৷এ যেনো কোন স্বর্গীয় সমীরণ প্রবাহ৷ কোন এক অদৃশ্যের ইশারায় বয়ে যায় পুরো সভ্যহীন অস্বস্তিকর অশান্ত পৃথিবীতে সভ্যতার শীতল ছায়া৷ হ্যা-----তিনিই হলেন বিশ্ববাসীর মুক্তি দাতা৷ যার আদর্শ, জীবন মতাদর্শ হলো মুক্তিপন্থা৷
যিনি মারামারি, হানাহানি পরিবর্তে শিখিয়েছেন পরস্পর ভ্রাতৃত্বতা৷ গোত্রীয় দ্বন্দেের অবসান ঘটিয়ে
দূর্বলের উপর সবলের হিংস্র অত্যাচার বন্ধ করে
স্থাপন করেছিলেন ভালোবাসা৷সেই মহা মানবের তরে আবেগে মুড়ানো
কিছু কথা৷ পুষ্প কানের কোন পুষ্প দিয়ে নয় বরং অক্ষিকোনে ক্রমেই জমে ওঠা তপ্ত বর্ষণে তোমার শানে দরুদ পড়ে শুরু করছি☞সাল্লিয়ালা মুহাম্মদ
হে প্রিয়! শুধু তোমার জন্য পাগল আমি৷
ছন্নছাড়া আমার এই মন,
বুকে যন্ত্রনা-দহন,যায়না সহন৷
তুমি বিনে মিছে এই জীবন,
তোমার বিরহে কাদে দু'নয়ন৷
তোমাকে দেয়ার কিছু নেই----
আছে শুধু আবেগে মুড়ানো শত-সহস্র
সালাম ও সম্ভাষণ ৷
হে প্রিয় নবী!জীবন ভরে চেয়েছি তোমাকে,
তুমি আছো প্রতিটা হৃদয়ের অন্তরে ৷
তোমার আদর্শে আলোকিত বিশ্ব,ধন্য এই ভূবন,
ধন্য হলো পৃথিবীবাসী, মুক্তি পেলো মানব জীবন৷
তুমি ছাড়া নয়তো কেউ আমার প্রিয়জন৷
তোমার প্রেমের অমেয় বিরহে অরনী
আমার অন্তর৷
তুমি অমোঘ ওহে পেয়ারা নবী,
তোমার জন্যই সৃষ্টি এই ধরনী৷
তোমার স্মরণে যতবার মগ্ন হয়েছি
ততবার নতুন স্বপনে তোমার জন্যে
জীবনকে উৎসর্গ করেছি৷
কখনো হাজীদের কাছে তোমার শানে দরুদ পাঠিয়েছি,www.thespiritofimaan.com
কিন্তুু এতে পাইনি আমি কোন তৃপ্তি
"কারণ আমি যে প্রিয় তোমারই সাক্ষাৎ প্রার্থী ৷
তোমাকে পাবো বলে বিনিদ্র রজনী একাকী হেসেছি, আবার কখনো নিরবে অশ্রু
বিসর্জন দিয়েছি ৷
এখনো তোমার পথ চেয়ে জীবনকে আরো
তোমার আদর্শে সাজিয়েছি ৷
গ্রীষ্মের দুপুরে, গভীর রাতে ঐ কন কন শীতেও
তোমার নাম বার বার জপেছি,
সকাল হতে সন্ধা, পক্ষ হতে মাস, তোমার বাণীগুলো অবিরাম পড়ছি ৷
তুমি আমার আর কেউ নয় রাসূল হে আল-আরাবী৷
হৃদয়ে আছে আকুতি, তোমাকে ভালোবাসি আমি
আমি হতভাগা ছিলামনা তোমার যুগে
দেখতে পারিনি তোমায় চর্ম চক্ষু দিয়ে৷
জীবনে একবার হলেও দেখতে চাই শয়নে-স্বপনে৷
আমি অধম,আমি গোনাহগার প্রভূর কাছে
করি প্রার্থনা
তোমার রওজা যিয়ারতে দগ্ধ হৃদয়ে পেতে
চাই সান্তনা ৷
লেখকঃ তোফায়েল আহমাদ
পরিবর্তন হয়েছে শুধু একটা জিনিসের ৷তা হলো সভ্যতা৷ এখন মানুষ যতটা সভ্য বলে দেখা যায় তখন ছিলো সম্পূর্ণ বিপরীত৷ এই মানুষই ছিলো সে সময় বর্বর,অসভ্য, অমানুষ ৷ হিংস্রতা, অনাচার, অবিচারে ছেয়েছিলো এই সুন্দর পৃথিবী৷
অসহায় নারী,শিশুর আর্তনাদে ছিলো আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত৷ ছিলনা নারীজাতীর ন্যায্য অধিকার৷ কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়াই ছিলো অপরাধ৷ আর এটা ছিলো আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগ৷ ঘন অন্ধকার যুগ৷ তখন মানুষ যেন মানুষ ছিলনা৷ যেনো বুনো অসভ্যতার বেড়াজালে বন্দী ছিলো মানবতা ৷ পৃথিবী ছিলো হাহাকার,,,,একটুখানি শান্তির জন্য,অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকা ছিলো দাঈ৷ কোথায় পাবো শান্তি, কে আনবে মানবতার মুক্তি এই ছিলো আত্মচিৎকার৷ ঠিক এই মূহুর্তে আল্লাহ তায়ালা ধরার বুকে পাঠালেন মানবতার মুক্তিদাতা হিসেবে কুরাইশ বংশে আব্দুল্লাহর ঘরে, আমিনার কোলে মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে৷ সেই দিনটি ছিলো ৫৭০ খৃষ্ঠাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল, রোজ সোমবার৷ যা পৃথিবীর ইতিহাসে অবিস্মরণীয় একটি দিন৷ এদিন মক্কা নগরীতে পূর্ব দিগন্তে ভোরের আভা উঁকি দিচ্ছে ঠিক তখন বিবি আমিনা অনুভব করলেন-----বিশ্ব প্রকৃতিতে যেন আনন্দ আনন্দ দোলা লেগেছে ৷ মনে হলো এখন কোন শোক নেই, দুঃখ নেই আছে শুধু আনন্দ৷এ যেনো কোন স্বর্গীয় সমীরণ প্রবাহ৷ কোন এক অদৃশ্যের ইশারায় বয়ে যায় পুরো সভ্যহীন অস্বস্তিকর অশান্ত পৃথিবীতে সভ্যতার শীতল ছায়া৷ হ্যা-----তিনিই হলেন বিশ্ববাসীর মুক্তি দাতা৷ যার আদর্শ, জীবন মতাদর্শ হলো মুক্তিপন্থা৷
যিনি মারামারি, হানাহানি পরিবর্তে শিখিয়েছেন পরস্পর ভ্রাতৃত্বতা৷ গোত্রীয় দ্বন্দেের অবসান ঘটিয়ে
দূর্বলের উপর সবলের হিংস্র অত্যাচার বন্ধ করে
স্থাপন করেছিলেন ভালোবাসা৷সেই মহা মানবের তরে আবেগে মুড়ানো
কিছু কথা৷ পুষ্প কানের কোন পুষ্প দিয়ে নয় বরং অক্ষিকোনে ক্রমেই জমে ওঠা তপ্ত বর্ষণে তোমার শানে দরুদ পড়ে শুরু করছি☞সাল্লিয়ালা মুহাম্মদ
হে প্রিয়! শুধু তোমার জন্য পাগল আমি৷
ছন্নছাড়া আমার এই মন,
বুকে যন্ত্রনা-দহন,যায়না সহন৷
তুমি বিনে মিছে এই জীবন,
তোমার বিরহে কাদে দু'নয়ন৷
তোমাকে দেয়ার কিছু নেই----
আছে শুধু আবেগে মুড়ানো শত-সহস্র
সালাম ও সম্ভাষণ ৷
হে প্রিয় নবী!জীবন ভরে চেয়েছি তোমাকে,
তুমি আছো প্রতিটা হৃদয়ের অন্তরে ৷
তোমার আদর্শে আলোকিত বিশ্ব,ধন্য এই ভূবন,
ধন্য হলো পৃথিবীবাসী, মুক্তি পেলো মানব জীবন৷
তুমি ছাড়া নয়তো কেউ আমার প্রিয়জন৷
তোমার প্রেমের অমেয় বিরহে অরনী
আমার অন্তর৷
তুমি অমোঘ ওহে পেয়ারা নবী,
তোমার জন্যই সৃষ্টি এই ধরনী৷
তোমার স্মরণে যতবার মগ্ন হয়েছি
ততবার নতুন স্বপনে তোমার জন্যে
জীবনকে উৎসর্গ করেছি৷
কখনো হাজীদের কাছে তোমার শানে দরুদ পাঠিয়েছি,www.thespiritofimaan.com
কিন্তুু এতে পাইনি আমি কোন তৃপ্তি
"কারণ আমি যে প্রিয় তোমারই সাক্ষাৎ প্রার্থী ৷
তোমাকে পাবো বলে বিনিদ্র রজনী একাকী হেসেছি, আবার কখনো নিরবে অশ্রু
বিসর্জন দিয়েছি ৷
এখনো তোমার পথ চেয়ে জীবনকে আরো
তোমার আদর্শে সাজিয়েছি ৷
গ্রীষ্মের দুপুরে, গভীর রাতে ঐ কন কন শীতেও
তোমার নাম বার বার জপেছি,
সকাল হতে সন্ধা, পক্ষ হতে মাস, তোমার বাণীগুলো অবিরাম পড়ছি ৷
তুমি আমার আর কেউ নয় রাসূল হে আল-আরাবী৷
হৃদয়ে আছে আকুতি, তোমাকে ভালোবাসি আমি
আমি হতভাগা ছিলামনা তোমার যুগে
দেখতে পারিনি তোমায় চর্ম চক্ষু দিয়ে৷
জীবনে একবার হলেও দেখতে চাই শয়নে-স্বপনে৷
আমি অধম,আমি গোনাহগার প্রভূর কাছে
করি প্রার্থনা
তোমার রওজা যিয়ারতে দগ্ধ হৃদয়ে পেতে
চাই সান্তনা ৷
লেখকঃ তোফায়েল আহমাদ

0 মন্তব্যসমূহ