আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন!01958666697 তথ্য বহুল ইসলামিক সব আলোচনা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন! ভর্তি চলছে, ক্বারী ইয়াকুব আলী রহ. ইসলামিয়া মাদরাসা,যোগাযোগ:01609216916 🧬 জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ নতুন বিপ্লব শুরু হতে যাচ্ছে...

আহকামুল হজ্জ, হজ্জের রোকন, ওয়াজিব এবং সুন্নাতসমূহ

 

احكام الحج

রুকন এবং ওয়াজিবের মধ্যে পার্থক্য (الركن والواجب)
সাধারণ ফিকহ শাস্ত্রে রুকন, ওয়াজিব এবং ফরজ প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও হজ্জের ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে পার্থক্য আছে:
রুকন (الركن): এটি এমন কাজ যা না করলে হজ্জ বাতিল হয়ে যায় এবং কোনো কিছুর বিনিময়ে (যেমন কোরবানি বা দম) এটি পূরণ হয় না।
"الركن والفرض هو: ما لا تحصل حقيقة الحج إلا به، ولا ينجبر بالدم."
অনুবাদ: রুকন এবং ফরজ হলো—যার উপস্থিতি ছাড়া হজ্জের হাকিকত বা বাস্তবতা সম্পন্ন হয় না এবং এটি রক্ত (পশু জবাই বা দম) দিয়েও সংশোধনযোগ্য নয়।

ওয়াজিব (الواجب): এটি পালন করা আবশ্যক, তবে কোনো কারণে বাদ পড়লে 'দম' বা পশু কোরবানির মাধ্যমে হজ্জ শুদ্ধ করা যায়। "أما الواجب: فيحرم تركه اختياراً، ولا يفسد النسك بتركه، وينجبر بالدم."
ওয়াজিব স্বেচ্ছায় বর্জন করা হারাম, তবে এটি ছেড়ে দিলে হজ্জ বাতিল হয় না, বরং দমের (রক্ত প্রবাহিত করা/কোরবানি) মাধ্যমে তা সংশোধন করা যায়।
হজ্জের রুকনসমূহ (أركان الحج)
হজ্জের প্রধান রুকন ৪টি:
1.আল-ইহরাম (الإحرام): হজ্জের নিয়ত করা।
2.তাওয়াফ আল-ইফাদাহ (طواف الإفاضة): মূল তাওয়াফ যা ১০ই জিলহজ্জ বা তার পরে করা হয়।
3.সা'য়ী (السعي): সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ানো।
4.অকুফে আরাফাহ (حضور جزء من ليلة النحر بعرفة): আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা।
প্রথম রুকন: ইহরাম (الركن الأول: الإحرام)
সংজ্ঞা (تعريفه): ইবাদতে প্রবেশের নিয়ত করা। এর সাথে তালবিয়াহ পাঠ করা বা ইহরামের কাপড় পরা ("نية الدخول في النسك.") হজ্জ বা উমরার ইবাদতে প্রবেশের সংকল্প বা নিয়ত করা।

 ইহরামের সুন্নাতসমূহ (Sunnahs of Ihram)

১. গোসল করা (Ghusl):
ইহরামের কাপড় পরার আগে গোসল করা সুন্নাত। এটি চার মাযহাবের (হানাফী, মালিকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী) ফকীহগণের ঐক্যমত।
২. ঋতুবতী ও নেফাসগ্রস্ত মহিলাদের গোসল:
ঋতুবতী বা সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাব অবস্থায় থাকা মহিলাদের জন্যও ইহরামের আগে গোসল করা সুন্নাত। এটিও চার মাযহাবের ঐক্যমত।
৩. চুল ও নখ ছাঁটা:
ইহরামের আগে প্রয়োজন হলে নখ কাটা, বগলের ও নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা এবং গোঁফ ছাঁটা সুন্নাত। এটি পরিচ্ছন্নতার অংশ।
৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা (Perfume):
ইহরাম বাঁধার আগে শরীরে সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নাত। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ইহরামের কাপড়ে সুগন্ধি না লাগে (অধিকাংশ আলেমের মতে)।
৫. সেলাইবিহীন চাদর ও লুঙ্গি (পুরুষদের জন্য):
পুরুষদের জন্য একটি সেলাইবিহীন লুঙ্গি (ইজার) এবং একটি চাদর (রিদা) পরা সুন্নাত। সম্ভব হলে কাপড় দুটি সাদা হওয়া উত্তম।
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: «كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِإِحْرَامِهِ حِينَ يُحْرِمُ» (رواه البخاري ومسلم)
অনুবাদ: আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন ইহরাম বাঁধতেন, তখন আমি নিজে তাঁকে সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম।"

২. দ্বিতীয় রুকন: আরাফাতের ময়দানে অবস্থান
আরাফায় অবস্থানের গুরুত্ব নিয়ে বর্ণিত হাদীস:
الْحَجُّ عَرَفَةُ
অনুবাদ: "আরাফায় অবস্থান করাই হলো (আসল) হজ।" (আবু দাউদ ও তিরমিজি)
৩. তৃতীয় রুকন: তাওয়াফ-এ-ইফাযাহ
কুরবানীর পর কাবা শরীফ সাতবার প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ-এ-ইফাযাহ বলে। এর সপক্ষে আয়াতে বলা হয়েছে:
কুরআনের আয়াত (সূরা হজ: ২৯):
ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ
অনুবাদ: "তারপর তারা যেন তাদের ময়লা দূর করে (চুল কেটে বা নখ কেটে), তাদের মানতসমূহ পূর্ণ করে এবং প্রাচীন গৃহের (কাবার) তাওয়াফ করে।"
৪. চতুর্থ রুকন: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা
সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ানো বা হাঁটা। এর সপক্ষে হাদীস:
اسْعَوْا فَإِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَيْكُمُ السَّعْيَ
অনুবাদ: "তোমরা সাঈ করো, কেননা আল্লাহ তোমাদের ওপর সাঈ করা আবশ্যক (ফরজ) করে দিয়েছেন।" (আহমাদ)
এই ৪টি কাজ (ইহরাম, আরাফায় অবস্থান, তাওয়াফ এবং সাঈ) ছাড়া হজ পূর্ণ হয় না। এগুলোর কোনো একটি বাদ পড়লে দম বা কোরবানি দিলেও হজ শুদ্ধ হবে না।
ইহরামের সময় (الميقات الزماني): এটি শাওয়াল মাসের প্রথম রাত থেকে শুরু করে ঈদুল আযহার (১০ই জিলহজ্জ) ফজর পর্যন্ত।
ইহরামের স্থান (الميقات المكاني): যে নির্দিষ্ট স্থানগুলো (মিকাত) থেকে ইহরাম বাঁধতে হয়। এটি ব্যক্তি কোন অঞ্চল থেকে আসছে এবং সে কোন ধরণের হজ্জ (তামাত্তু, ইফরাদ বা কিরান) করছে তার ওপর নির্ভর করে।
হজ্জের শর্তসমূহ (Conditions of Hajj)
হজ্জের শর্তগুলোকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
* ১. ওয়াজিব হওয়া, শুদ্ধ হওয়া এবং ফরজিয়াত আদায়ের শর্ত: ইসলাম, বিবেক (আকল)।
* ২. ওয়াজিব হওয়া এবং ফরজিয়াত আদায়ের শর্ত: বালেগ হওয়া (প্রাপ্তবয়স্ক) এবং স্বাধীন হওয়া।
* ৩. শুধুমাত্র ওয়াজিব হওয়ার শর্ত: সামর্থ্য থাকা (ইস্তিতআত)।
আকল (বিবেকবান হওয়া)
মানসিক ভারসাম্যহীনের হজ্জ: হজ্জ ওয়াজিব ও শুদ্ধ হওয়ার জন্য সুস্থ মস্তিষ্ক বা বিবেকবান হওয়া শর্ত। পাগলের ওপর হজ্জ ফরজ নয়। যদি সে হজ্জ করেও, তবে তা ফরজিয়ত হিসেবে গণ্য হবে না।
স্বাধীনতা (স্বাধীন হওয়া)
দাসের হজ্জ: হজ্জ ওয়াজিব হওয়ার জন্য স্বাধীন হওয়া শর্ত। ক্রীতদাসের ওপর হজ্জ ফরজ নয়। যদি কোনো দাস হজ্জ করে, তবে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে, পরবর্তীতে সে স্বাধীন হলে সামর্থ্য থাকলে তাকে পুনরায় ফরজ হজ্জ আদায় করতে হবে।
বালেগ হওয়া (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া)
শিশুর হজ্জের বিধান: হজ্জ শুদ্ধ হওয়ার জন্য বালেগ হওয়া শর্ত নয়। অর্থাৎ শিশু হজ্জ করলে তা শুদ্ধ হবে। তবে এটি তার ওপর থেকে ফরজিয়ত তুলে নেবে না (বড় হয়ে সামর্থ্যবান হলে তাকে আবার ফরজ হজ্জ করতে হবে)। হাদীসের প্রেক্ষাপট:রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এক মহিলা একটি শিশুকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "এর জন্য কি হজ্জ আছে?" তিনি বলেছিলেন, "হ্যাঁ, আর তোমার জন্য রয়েছে সওয়াব।"
ইস্তিতআত বা সামর্থ্য
১. استطاعة বা সামর্থ্যের এর সংজ্ঞা
আভিধানিক অর্থ: কোনো কিছু করার শক্তি বা ক্ষমতা রাখা।
পারিভাষিক অর্থ: শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম হওয়া। অর্থাৎ যাতায়াত খরচ, পাথেয় এবং পরিবারের প্রয়োজনীয় খরচ মিটিয়ে হজ্জে যাওয়ার সক্ষমতা থাকা।
২. হজ্জ ওয়াজিব হওয়ার জন্য সামর্থ্য শর্ত:
হজ্জ কেবল তখনই ওয়াজিব হয় যখন কোনো ব্যক্তির সামর্থ্য থাকে। এটি কুরআন ও ইজমা দ্বারা প্রমাণিত।
(নোট: এখানে উল্লিখিত কুরআনের মূল রেফারেন্স হলো সূরা আলে-ইমরানের ৯৭ নম্বর আয়াত: وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا - অর্থাৎ: "মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ওই গৃহের হজ্জ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য।")
সামর্থ্যের প্রকারভেদ:
আলেমদের মতে সামর্থ্য চার প্রকার:

  1. প্রথম: শরীর ও অর্থ উভয় দিক থেকে সক্ষম হওয়া। (এদের ওপর হজ্জ ফরজ)।
  2. দ্বিতীয়: শরীর ও অর্থ উভয় দিক থেকে অক্ষম হওয়া। (এদের ওপর হজ্জ নেই)।
  3. তৃতীয় প্রকার: শারীরিকভাবে সক্ষম কিন্তু আর্থিকভাবে অক্ষম। এমন ব্যক্তির ওপর হজ্জ ফরজ নয়। তবে যদি সে মক্কার অধিবাসী হয় এবং পায়ে হেঁটে হজ্জ করা তার জন্য কষ্টকর না হয়, তবে ভিন্ন কথা।
  4. চতুর্থ প্রকার: আর্থিকভাবে সক্ষম কিন্তু শারীরিকভাবে এমন অক্ষম যে সুস্থ হওয়ার আশা নেই। এমন ব্যক্তির ওপর নিজে হজ্জ করা ফরজ নয়, তবে তার পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে হজ্জ (বদলী হজ্জ) করানো ওয়াজিব। এটি শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবের মত।
সামর্থ্য ও বিবাহ সংক্রান্ত বিধান
যদি কারো কাছে হজ্জ করার মতো টাকা থাকে কিন্তু সে বিয়েও করতে চায়, তবে সে কোনটি আগে করবে।
প্রথম অবস্থা: যদি বিয়ে না করলে ব্যভিচার বা পাপে লিপ্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে, তবে হজ্জের আগে বিয়ে করা তার ওপর ফরজ। এক্ষেত্রে বিয়ের খরচ মেটানোর পর টাকা থাকলে হজ্জ করবে।
দ্বিতীয় অবস্থা: যদি পাপে লিপ্ত হওয়ার ভয় না থাকে (স্বাভাবিক অবস্থা), তবে হজ্জ আগে করা ওয়াজিব। এটি জমহুর আলেমদের (হানাফী, মালিকী, হাম্বলী) মত।
নিরাপদ পথের শর্ত (أمن الطريق):
হজ্জ ওয়াজিব হওয়ার জন্য যাতায়াতের রাস্তা নিরাপদ হওয়া শর্ত। যদি পথে জান-মালের ক্ষতির প্রবল আশঙ্কা থাকে, তবে হজ্জ স্থগিত রাখা যাবে।
নারীদের হজ্জ ও মাহরামের বিধান
মাহরাম (المحرم) কে?
মাহরাম হলেন মহিলার স্বামী অথবা এমন কোনো পুরুষ যার সাথে বংশীয় সম্পর্ক, দুধ সম্পর্ক বা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে ওই মহিলার স্থায়ীভাবে বিবাহ হারাম (যেমন: বাবা, ভাই, ছেলে)।
মাহরাম সংক্রান্ত বিধান:
ফরজ হজ্জের জন্য মাহরাম: হানাফী ও হাম্বলী মাযহাব মতে, নারীর ওপর হজ্জ ফরজ হওয়ার জন্য মাহরাম সাথে থাকা একটি শর্ত। মাহরাম না থাকলে তার ওপর সশরীরে হজ্জে যাওয়া ওয়াজিব নয়। (বিন বাজ এবং ইবনে উসাইমীনও এই মত দিয়েছেন)।
নফল হজ্জের জন্য মাহরাম: নফল হজ্জের ক্ষেত্রে নারীর জন্য স্বামী বা মাহরামের অনুমতি এবং উপস্থিতি থাকা আবশ্যক—এ বিষয়ে আলেমগণ একমত।
স্বামীর অনুমতি: যদি মাহরাম পাওয়া যায় এবং হজ্জ ফরজ হয়, তবে স্বামী তার স্ত্রীকে বাধা দিতে পারবেন না। অধিকাংশ আলেমের মতে, ফরজ ইবাদতে স্বামীর অনুমতির চেয়ে আল্লাহর আদেশ পালন অগ্রগণ্য।
ইদ্দত (العدة) পালনকারী মহিলা:
যদি কোনো মহিলার ওপর হজ্জ ফরজ হয় কিন্তু তিনি স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের কারণে ইদ্দত পালন অবস্থায় থাকেন, তবে ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার জন্য হজ্জে যাওয়া জায়েজ নয়। এটি চার মাযহাবের ঐক্যমত।
ইসলামি শরীয়ত হজ্জের ক্ষেত্রে যেমন কঠোর বিধান দিয়েছে, তেমনি মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, পারিবারিক স্থিতিশীলতা এবং নৈতিক পবিত্রতাকেও (বিয়ে বা মাহরামের মাধ্যমে) সমান গুরুত্ব দিয়েছে।
আর্থিক ও শারীরিক সক্ষমতার বিস্তারিত
মৌলিক প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ (যা হজ্জের খরচের আগে অগ্রাধিকার পাবে):
  1. প্রথমত: হজ্জের সময়কালে পরিবারের ভরণপোষণ।
  2. দ্বিতীয়ত: বাসস্থান, আসবাবপত্র এবং পোশাক-আশাক যা তার মর্যাদার সাথে মানানসই।
  3. তৃতীয়ত: ঋণ পরিশোধ করা। মানুষের ঋণ পরিশোধ করা হজ্জের চেয়েও বেশি গুরুত্ব রাখে। এছাড়া আল্লাহর হক যেমন—কাফফারা বা যাকাতের ঋণ থাকলেও তা পরিশোধ করতে হবে।
  4. শারীরিক সক্ষমতা ও বাহন:যিনি বাহনের ওপর স্থির হয়ে বসে থাকতে পারেন না বা অত্যন্ত দুর্বল, তার ওপর সশরীরে হজ্জ করা ওয়াজিব নয়। এটি হানাফী, মালিকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী—চার মাযহাবের ঐক্যমত।
  5. আর্থিক সক্ষমতা (পাথেয় ও বাহন):হজ্জ ওয়াজিব হওয়ার জন্য পাথেয় এবং যাতায়াতের খরচ থাকা শর্ত। এটি ঋণ পরিশোধ এবং পরিবারের মৌলিক খরচ মেটানোর পর অতিরিক্ত হতে হবে। এটি জমহুর ওলামাদের মত।
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি,"আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে কষ্ট দেন না।" হজ্জ কেবল তখনই ফরজ হবে যখন মানুষ শারীরিক, আর্থিক এবং পারিপার্শ্বিক দিক থেকে পুরোপুরি সক্ষম হবে। বিশেষ করে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় বা পরিবারের ভরণপোষণ সংকটে রেখে হজ্জে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা ইসলামে নেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ