আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন!01958666697 তথ্য বহুল ইসলামিক সব আলোচনা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন! ভর্তি চলছে, ক্বারী ইয়াকুব আলী রহ. ইসলামিয়া মাদরাসা,যোগাযোগ:01609216916 🧬 জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ নতুন বিপ্লব শুরু হতে যাচ্ছে...

সময় এসেছে ইসলামি দলগুলোর ঘুরে দাঁড়াবার।

 

ইসলামি দলগুলোর ঐক্য

গণতান্ত্রিক নিয়মে যদি ইসলামি দলগুলোর রাজনৈতিক করার ইচ্ছে থাকে তাহলে আপনি দলমতের উর্ধ্বে এসে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এই কথার অর্থ হলো আপনি জনপ্রতিনিধিত্বশীলতার মতবাদ নিয়ে ইসলামি ব্যানারে দেশে জনসাধারণের সেবা করতে চাচ্ছেন। আপনি জনগণের পছন্দের তালিকায় হলে আপনাকে নির্বাচিত করতে মুসলিম,হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান যে কারো সমর্থন পেতে পারেন এবং এই সমর্থন আপনার প্রয়োজন।

 না হয় আপনি জনপ্রতিনিধি হতে পারবেননা।

 কারণ বর্তমান পৃথিবীতে এবং এদেশে ইসলামি রাজনীতির এমন কোন কেন্দ্রবিন্দু তৈরী হয়নি যে খলীফা নির্দেশ দিবে বা মনোনীত করবে আর আপনি খেলাফতের প্রতিনিধিত্ব করে যাবেন। 

খিলাফত হলো ইসলামি সরকার ব্যবস্থা। মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে যে ব্যবস্থা। এই ধরনের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে ‘খলিফা’ বলা হয়। আর এর সংবিধান হলো কোরআন এবং সুন্নাহ।

বাংলাদেশে ইসলামের ব্যানারে রাজনীতি করে নির্বাচিত হওয়ার পর চায়লেও সম্ভব নয় যে কোরআনীক বিধানুয়াী সংবিধান রচনা করবেন। যেখানে সকল দলমত উর্ধ্বে এসে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার সেখানে ছোটখাটো মতভেদ এড়িয়ে জাতীয় ঐক্যেই সমাধান। 

অতএব! সমমনা ইসলামি দলগুলোর এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। ছোটখাটো মতভেদ ভুলে একজোট হয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব করার। 

 মানুষ এখন নতুন কিছু চায়।দূর্নীতি, জুলুম, দুঃশাসনের বিলুপ্তি চায়। সে হিসেবে অন্যদলগুলোর তুলনায় ইসলামি দলগুলোর উপর মানুষের অধিকার এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে  যথেষ্ট আস্থা আছে।

তোফায়েল আহমাদ 

৩০/৮/২৪

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ